‘ফ্রিল্যান্সারদের কর দেয়ার তথ্যটি গুজব’

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১৪:৩৩  

ফ্রিল্যান্সারদের কর দেয়ার তথ্যটি গুজব বলে জানিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ফেলিসিটি ইন্টারনেট ডেটা সেন্টারের কর্মশালায় এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের উপর কোন উৎ‌সে কর দিতে হবে না। আয়কর মুক্ত থাকবে ফ্রিল্যান্সিং খাত।

এসময় বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার জানান, ডিভাইস তৈরির জন্য বাংলাদেশের ১৭টি কোম্পানীকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। নিজেদের উৎপাদিত প্রযুক্তিপন্য ব্যবহার করে নিজেদের তথ্যভান্ডার সুরক্ষিত করার তাগাদা দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে আলাদা ডিপার্টমেন্ট চালু করার পরামর্শ দেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এস এম জাফর উল্লাহ, ফাইবার অ্যাট হোম লিমিটেডের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে ফ্রিল্যান্সারদের আয়কর প্রসঙ্গে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বিগত ১৪ বছরে প্রযুক্তিবান্ধব আওয়ামী লীগ সরকার ফ্রিল্যান্সিং খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে অনুদান প্রদান , তাদের আইডিসহ নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে এবং ফ্রিল্যান্সারদের বিভ্রান্ত করতে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি তারা বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ও আমাকে নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের সঙ্গে কথা বলে আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের ওপর কোনো ধরনের উৎসে কর দিতে হবে না। তাঁরা এর আওতার বাইরে থাকবে। এমনকি ফ্রিল্যান্সাররা দেশে রেমিট্যান্স আনলে তাঁদেরকে ৪ শতাংশ ইনসেনটিভ দেওয়া হয়। যা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।’ 

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের নানা প্ল্যাটফর্ম থেকে যে পরিমান ডেটা বর্তমানে বাংলাদেশে আসছে, সেগুলো যদি পুরোটা সংরক্ষণ করতে পারি, তাহলে বিলিয়ন ডলার বিজনেস অপারচুনিটি তৈরি হবে।’